Home নির্বাচিত জাতীয় ঔষধ নীতি -২০০৫ ( খণ্ড – ১)
নির্বাচিত

জাতীয় ঔষধ নীতি -২০০৫ ( খণ্ড – ১)

Share
Share

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

রেজিস্টার্ড নং ডি এ ১ ২০০৫ সনের ১৮ নং
বাংলাদেশ গেজেট
কর্তৃপক্ষ কতৃক প্রকাশিত
পৃষ্ঠা ৪৪০-৪৫৩ বৃহস্পতিবার , মে ৫, ২০০৫ ১ম খন্ড

জাতীয় ঔষধ নীতি ২০০৫

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়
জনস্বাস্থ্য – ১ শাখা
তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০০৫
নং জনস্বাস্থ্য ১, ঔষধ ২২/২০০৪/১৫৪ গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীসভার অনুমোদনক্রমে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয় নিম্নে বর্ণিত জাতীয় ঔষধ নীতি প্রদান করিল :

প্রস্তাবনাঃ
স্বাধীনতা অর্জনকালে এবং এর অব্যহিত পরে বাংলাদেশে ঔষধ ও স্বাস্থ্যখাতে যে শোচনীয় অবস্থা বিদ্যমান ছিল তার প্রতিকার সাধনের লক্ষ্যে এবং ক্রয়সাধ্য মূল্যে উন্নতমানের অত্যাবশ্যকীয় ঔষধসমুহের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার জন্য ১৯৮২ সালে একটি জাতীয় ঔষধ নীতি (NDP) প্রনয়ন করা হয়। এই জাতীয় ঔষধ নীতির নির্দেশনাসমুহের অনুকরনে একই বছর তৎকালীন সরকার কতৃক একটি ঔষধ (নিয়ন্ত্রন) অধ্যাদেশ জারি করা হয় । সারা বিশ্বে প্রশংসিত হওয়া উক্ত দুটি জাতীয় দলিল স্থানীয় ঔষধ শিল্পের দ্রুত উন্নয়ন এবং দেশের ঔষধ শিল্পখাতে ক্রমাগত উন্নতি সাধন উৎকর্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে । নিম্নে বর্ণিত তথ্যসমূহ থেকে একথা স্পষ্টরূপে প্রতিপাদ হয়।
* এলোপ্যাথিক, ঐতিহ্যগত ও সম্পূরক বিকল্প ওষুধসমুহের স্থানীয় উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমানে বৃদ্ধি পেয়েছে ।
* সকল প্রকার অনুমোদিত ওষুধের স্থানীয় উৎপাদনের পরিমান বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধসমুহের লভ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, আর্থিক মূল্যে যার পরিমান ১৯৮১ সালে ছিল ১৭৩ কোটি টাকা ও ২০০২ সালে দাড়িয়েছে প্রায় ৮১০০ কোটি টাকাতে ।
* স্থানীয় কোম্পানীগুলো তাদেও উৎপাদন অংশ ১৯৭০ সালের ৩০% থেকে ২০০২ সালে ৮০% এর অধিক বৃদ্ধি করেছে ।
* ওষুধের মূল্য ভোক্তার মূল্য সূচকের ১৭৯% এর তুলনায় মাত্র ২০% বৃদ্ধি পেয়ে (প্রকৃতপক্ষে বাসত্দব অর্থে মূল্যহ্রাস ঘটে) স্থিতিশীল অবস্থায় পৌছেছে। এর ফলে ভোক্তাদেও নিকট ওষুধসমূহ অধিকতর ক্রয়সাধ্য হয়ে ওঠেছে ।
* উৎপাদিত ওষুধসমুহের মান ক্রমাগত উন্নত হয়েছে এবং নিম্নমানের ওষুধের অনুপাত ১৯৭০ সালের ৩৬% থেকে ২০০২ সালে মাত্র ২% এ নেমে এসেছে ।
* দেশে ওষুধের আমদানি বহুলাংশে কমে গিয়েছে।
* ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক ু বায়োকেমিক পদ্ধতির ওষুধের গবেষণা, শিক্ষা ও উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় অগ্রগতি হয়েছে ।
* আমদানির উপর কম নির্ভরতা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধসমূহের প্রতি অগ্রাধিকার প্রদানের ফলে প্রতি বছর দেশের প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ইউ,এস ডলার সাশ্রয় হয় ।
* বাংলাদেশ ওষুধ আমদানিকারী দেশ থেকে ওষুধ রপ্তানিকারী দেশে পরিণত হয়েছে ।

Share

Don't Miss

ইচ্ছেমতো ওষুধ নয়

অসুখ হলে ওষুধ খেতে হয়—এ কথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু সঠিক নিয়মে ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনেকেই অনুভব করি না। ওষুধ খেতে আমরা যতটা...

ওষুধ সেবনে যেসব ভুলে হতে পারে ভয়াবহ বিপদ

অসুখ হলে ওষুধ খেতে হয়—এ কথা আমরা সবাই জানি। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঠিক না। আমরা অনেক সময় নিজেরাই নিজেদের চিকিৎসা...

Related Articles

জিন নয়, দীর্ঘায়ু নির্ধারণে বেশি প্রভাব ফেলে খাদ্যাভ্যাস: গবেষণা

দীর্ঘজীবন অনেকেই ভাগ্য বা বংশগত জিনের ওপর নির্ভরশীল বলে মনে করেন। অনেকে...

বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে বিএমইউতে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও সেমিনার

‘সুস্থ কিডনি সকলের তরে, মানুষের যত্নে বাঁচাও ধরণীরে’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্ব কিডনি...

কিডনি রোগ নির্ণয় সহজ হলেও চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল, আলোচনা সভায় বক্তারা

বিশ্ব কিডনি দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরস্থ...

জুনের মধ্যে ই-হেলথ কার্ড চালু করার আশাবাদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরো শক্তিশালী, সমন্বিত ও কার্যকর করতে জাতীয় ই-হেলথ কার্ড আগামী...