Connect with us

প্রধান খবর

নিপাহ ভাইরাস: চিকিৎসকদের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ পরামর্শ

Published

on

নিপাহ ভাইরাসজনিত জ্বরের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. শেখ দাউদ আদনান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এসব পরামর্শ দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়েছে, অদ্যাবধি দেশের ৩২ জেলা নিপাহ ভাইরাস জনিত জ্বরের ঝুঁকিতে রয়েছে। দেশের প্রতি হাসপাতালে জ্বরের উপসর্গ নিয়ে আগত রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসকদের নিম্নলিখিত নির্দেশাবলী অনুসরণ করে চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হল।

নির্দেশনাগুলো হলো

১. রোগী দেখার সময় আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে।

Advertisement

২. রোগী দেখার পূর্বে ও পরে সাবান দিয়ে হাত ধৌত করতে হবে।

৩. জ্বরের উপসর্গ দেখা গেলে রোগীকে আবশ্যিকভাবে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি রাখতে হবে।

৪. জ্বরের সাথে সংকটাপন্ন অবস্থা দেখা দিলে রোগীকে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের আইসিইউতে রাখতে হবে।

৫. আইসিইউতে থাকাকালীন রোগীর পরিচর্যাকারীরা শুধু গ্লাভস ও মাস্ক পরলেই হবে। কেননা এই ভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় না।

৬. যেহেতু আইসিইউতে রেখে এই রোগীর চিকিৎসা করা যায়, এজন্য রেফার্ড করার প্রয়োজন নেই।

Advertisement

৭. কোনো প্রকার তথ্যের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কল সেন্টারে ১৬২৬৩/৩৩০ যোগাযোগ করবেন।

এর আগে, দেশের ২৮ জেলায় নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, দেশের ২৮ জেলায় নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় রাজধানীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে ১০ বেডের আইসোলেশন ওয়ার্ড ও ১০টি আইসিইউ শয্যা প্রস্তুত রাখতে হবে।

Advertisement
জেনে রাখুন, সুস্থ থাকুন2 months ago

ওষুধ খাওয়ার ভুলে অসুস্থতা

জ্বর বা মাথাব্যথা হলেই প্যারাসিটামল, অ্যালার্জির জন্য হিস্টাসিন কিংবা গ্যাসের ট্যাবলেট- এই ধরনের ওষুধগুলো আমরা হরহামেশাই খাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই।...

খাদ্য ও পুষ্টি3 months ago

শিশুদের জন্য লবণ যতটুকু দরকার

অতিরিক্ত লবণ শিশুর বৃদ্ধিতে বাধা প্রদানের পাশাপাশি অল্প বয়সে রক্তচাপের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। খাদ্যাভ্যাসে এমন পরিমাণ লবণ রাখতে হবে যা...

জেনে রাখুন, সুস্থ থাকুন3 months ago

ওষুধ খেলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় কেন

বয়সে টিংকু বেশ ছোট। এত ছোট যে মাঝেমধ্যে টিংকুর দাঁত পড়ে। একবার বিড়াল টিংকুকে আঁচড়ে দিল। চিকিৎসক বললেন যে র‌্যাবিসের...

Advertisement