Home স্বাস্থ্য সংবাদ সরকারি হাসপাতালে শয্যা সঙ্কট কাটছে না আবেদন সাড়ে ২৭ হাজার : অনুমোদন সাড়ে ৪ হাজার
স্বাস্থ্য সংবাদ

সরকারি হাসপাতালে শয্যা সঙ্কট কাটছে না আবেদন সাড়ে ২৭ হাজার : অনুমোদন সাড়ে ৪ হাজার

Share
Share
স্টাফ রিপোর্টার
দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর শয্যার সঙ্কট কাটছে না। শয্যা বাড়াতে আবেদনের তুলনায় সরকার মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ অনুমোদন দিয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলো থেকে ২৭ হাজার ৭১৫টি নতুন শয্যার জন্য আবেদন জমা পড়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে। এসব আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার মাত্র ৪ হাজার ৬৫৫টি নতুন শয্যার অনুমোদন দিয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র, জেলা সদর হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত হাসপাতাল থেকে শয্যার জন্য এ আবেদন করা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে জানা যায়, গড়ে আড়াই হাজারের বেশি রোগীর জন্য দেশে আছে মাত্র একটি শয্যা। সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে রোগীর জন্য এ শয্যা সংখ্যা। দেশে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল আছে ২ হাজার ২১৩টি। এসব হাসপাতালে শয্যা আছে ৫১ হাজার ৬৮৪টি। এর মধ্যে বেসরকারি হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা প্রায় ১৯ হাজার। শয্যার অভাবে বছরে লাখ লাখ গরিব রোগীকে সরকারি হাসপাতালে চিকিত্সা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। হাসপাতালগুলোতে শয্যার এ সঙ্কট দীর্ঘদিন ধরেই চলছে। সরকার নতুন করে ৪ হাজার ৬৫৫টি শয্যার অনুমোদন দিলেও আবেদন অনুযায়ী ঘাটতি থেকে যাচ্ছে ২৩ হাজার ৬০টি শয্যার। এ আবেদনও চাহিদার তুলনায় অনেক কম বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের শীর্ষপর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা।
জানা যায়, ১৮টি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ডেন্টাল কলেজ হাসপাতাল ও সরকারি অন্য ১৭টি হাসপাতাল থেকে ১১ হাজার ৬৫০টি নতুন শয্যা অনুমোদনের জন্য গত বছরে আবেদন আসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে। এর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ২ হাজার, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ৮৫০, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এক হাজার ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এক হাজার শয্যার জন্য আবেদন করে। সরকার সম্প্রতি ঢাকা মেডিকেলকে ৩০০, ওসমানী মেডিকেলকে ১০০, ময়মনসিংহ মেডিকেলকে ২০০, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলকে ৪৭৫টি শয্যার অনুমোদন দেয়। এর মধ্যে ঢাকা ডেন্টাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ১৮০টি শয্যার জন্য আবেদন করা হলে ১৮০টি শয্যাই অনুমোদন করে সরকার। ১৭টি হাসপাতালের আবেদন অনুযায়ী ৯ হাজার ৯৮৫টি শয্যা ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।
Share

Don't Miss

রোগীর মন জয় করাই নার্সদের প্রথম দায়িত্ব : বিএমইউ উপাচার্য

রোগীর আস্থা অর্জন ও অসন্তুষ্টি দূর করাই একজন নার্সের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো....

মেডিসিন-ফিজিওথেরাপির সমন্বয়ে সম্মিলিত চিকিৎসা পদ্ধতির আহ্বান

দেশে প্রতিবছর স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, পক্ষাঘাতগ্রস্ততা এবং শারীরিক প্রতিবন্ধকতায় বহু মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে শুধু হাসপাতালে ওষুধনির্ভর চিকিৎসা গ্রহণের পরও এসব রোগী অনেক...

Related Articles

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিসিএস হেলথ ফোরাম নেতাদের সাক্ষাৎ

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন...

মঙ্গলবার থেকে সব মেডিকেল কলেজে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) থেকে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত...

‘নাগরিকদের জন্য ডিজিটাল স্বাস্থ্য কার্ড চালু করা হবে’

দেশের জনগনের জন্য ডিজিটাল স্বাস্থ্য (ই-হেলথ) কার্ড চালু করা হবে। বিশেষভাবে স্থানীয়...

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য এফ এম সিদ্দিকী

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ডা. এফ...